
চলমান বিশ্বকাপে কানাডার মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনের গুরুতর চোটের ঘটনায় কাতারের ফুটবলার আসিম মাদিবোকে পাঁচ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।
গত সপ্তাহে ভ্যানকুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কানাডা কাতারকে ৬–০ গোলে হারালেও ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল কোনের ভয়াবহ ইনজুরি। ম্যাচের ৫১তম মিনিটে পিছন দিক থেকে বিপজ্জনক ট্যাকল করেন মাদিবো, যার ফলে মাঠেই গুরুতরভাবে আহত হন কানাডিয়ান মিডফিল্ডার।
চোটের পর মাঠে থাকা খেলোয়াড়রা পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পারেন এবং দ্রুত মেডিকেল টিম এসে কোনেকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে পরীক্ষায় তার পায়ের টিবিয়া ও ফিবুলা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় এবং জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।
ঘটনার পর রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাদিবোকে মাঠ থেকে বের করে দেন। ম্যাচ শেষে তিনি অনুতপ্ত হয়ে ব্যক্তিগতভাবে কোনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করেন।
পরবর্তীতে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি ঘটনাটি পর্যালোচনা করে এটিকে ‘গুরুতর ফাউল খেলা’ হিসেবে উল্লেখ করে পাঁচ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। তবে কাতারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, এমন গুরুতর চোট থেকে সেরে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগবে, ফলে ২৩ বছর বয়সী কোনেকে কয়েক মাস মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে, যা কানাডার জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে বিশ্বকাপে আরও কঠোর শাস্তির নজির রয়েছে। ২০১৪ বিশ্বকাপে লুইস সুয়ারেজের ঘটনায় তাকে নয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল এবং ১৯৯৪ বিশ্বকাপে মাউরো তাসোত্তিকে আট ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল ফিফা।
মাদিবোর নিষেধাজ্ঞা ও কোনের ইনজুরি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।