প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 6, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 22, 2026 ইং
১৯৯০ থেকে ২০২৬... আর্জেন্টিনার দুটি হার, আর অসংখ্য উত্তরহীন প্রশ্ন

ইতিহাস বলে, বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু একটি ম্যাচ নয়। কখনো কখনো এটি হয়ে ওঠে একটি জাতির স্বপ্ন, আবেগ, গর্ব এবং চিরন্তন বিতর্কের অংশ।
১৯৯০ বিশ্বকাপ ফাইনাল।
আর্জেন্টিনা বনাম পশ্চিম জার্মানি।
৮৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল গোলশূন্য। এরপর আসে সেই বিতর্কিত পেনাল্টি। পরে আর্জেন্টিনার দুই খেলোয়াড় লাল কার্ডও দেখেন। শেষ পর্যন্ত ট্রফি যায় পশ্চিম জার্মানির হাতে।
ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। তার অভিযোগ ছিল—
"আমাদের কাছ থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।"
৩৬ বছর পর...
আবারও বিশ্বকাপ ফাইনাল।
আবারও আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ।
কিন্তু এবারও কিছু প্রশ্ন ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ম্যাচের আগে লিওনেল মেসিকে বলতে শোনা যায়—
«"চলো ছেলেরা, শান্ত থাকো। যা হয়েছে তা ভুলে যাও। সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলাটার কথা ভাবো।"»
একজন অধিনায়ক কেন এমন কথা বলবেন?
এরপর ম্যাচ শেষে স্কালোনিও জানান, ফাইনালের আগে কিছু ঘটনা ঘটেছিল। তবে বিশ্বকাপের প্রতি সম্মান রেখে তিনি বিস্তারিত বলতে চাননি।
সেখান থেকেই জন্ম নেয় অসংখ্য প্রশ্ন...
কী ঘটেছিল?
কেন তা গোপন রাখা হলো?
- লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর মতো দুই বাঘা ডিফেন্ডার কীভাবে হঠাৎ ইনজুরির বাহানা দিয়ে মাঠ ছাড়লেন?
- লাউতারো মার্টিনেজকে ১২০ মিনিটেও কেন মাঠে নামানো হলো না?
- গোল খাওয়ার আগ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা কার্যত কোনো আক্রমণই করল না কেন?
- লিসান্দ্রো মার্টিনেজের ইচ্ছাকৃত হলুদ কার্ড রিসিভ করা এবং এরপরই ইনজুরির ইঙ্গিত দেওয়া—এটা কি শুধুই কাকতালীয়?
- মাত্র ৩টি ফাউলের ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও আর্জেন্টিনা পেল ৫টি হলুদ ও ১টি লাল কার্ড, অথচ স্পেন ম্যাচ শেষ করল কোনো কার্ড ছাড়াই—এটাও কি শুধুই কাকতালীয়?
হয়তো এসব প্রশ্নের উত্তর একদিন পাওয়া যাবে।
আর হয়তো কখনোই না।
কিন্তু ১৯৯০ সালের মতোই, ২০২৬ সালের এই ফাইনালও হয়তো বছরের পর বছর ধরে বিতর্ক, প্রশ্ন আর অজানা রহস্যের অংশ হয়ে থাকবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ bddigitalnews24.com