অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ঋণের চাপ ও সাইবার ঝুঁকি, বাংলাদেশের আর্থিক খাতে বাড়ছে চ্যালেঞ্জ

ঋণ পরিশোধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ঝুঁকি—দুই দিক থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। একদিকে মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদের কারণে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর রাজস্বের বড় অংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় হচ্ছে। অন্যদিকে ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তার, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সাইবার হামলার আশঙ্কা আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

সীমিত রাজস্ব আহরণ, ব্যাপক উন্নয়ন চাহিদা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থিক ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের জন্য বিষয় দুটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক আলোচনা ও মূল্যায়নে ঋণ ব্যবস্থাপনা, সহজ শর্তে অর্থায়ন, আর্থিক খাতের তদারকি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের এসব আলোচনার মূল তাৎপর্য হলো, শুধু নতুন ঋণ নেওয়া বা ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তার নয়; অর্থের কার্যকর ব্যবহার, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও নিশ্চিত করতে হবে।

ঋণ পরিশোধে রাজস্বের বড় অংশ, চাপে উন্নয়ন ব্যয়

গতকাল শনিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সম্মেলনের ষষ্ঠ দিনের সংবাদ ব্রিফিংয়ে বৈশ্বিক ঋণ পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে কথা বলেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। ব্রিফিংয়ে সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান উপস্থিত ছিলেন। এটি সঞ্চালনা করেন আইএমএফের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক জুলি কোজাক।

জর্জিয়েভা জানান, নিম্ন আয়ের দেশগুলোর রাজস্ব আয়ের যে অংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়, তা গত কয়েক বছরে ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদের কারণে ঋণের বোঝা বাড়ায় এসব দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়ছে।

ঋণ পরিশোধে বেশি অর্থ ব্যয় হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়ার সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

বাংলাদেশের জন্যও এই পরিস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ। দেশের উন্নয়ন চাহিদা ব্যাপক হলেও রাজস্ব আহরণ বাড়ানো দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। রাজস্বের তুলনায় সরকারি ব্যয়ের প্রয়োজন বেশি হলে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ে। আবার ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হলে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে।

বৈদেশিক ঋণে বাড়তি ঝুঁকি বিনিময় হার ও সুদের

বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ব্যয় নির্ধারণে বিনিময় হারের ওঠানামা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে একই পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ শোধ করতে বেশি টাকা প্রয়োজন হয়। আন্তর্জাতিক সুদের হার, জ্বালানির দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাও ঋণ ব্যবস্থাপনার ব্যয় বাড়াতে পারে।

এ কারণে শুধু ঋণের মোট পরিমাণ বিবেচনা করলেই চলবে না। ঋণের সুদের হার, মেয়াদ, পরিশোধের শর্ত এবং অর্থ ব্যবহারের কার্যকারিতাও মূল্যায়ন করা জরুরি।

ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ, প্রকল্পের ব্যয় ও সময় নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। যেসব প্রকল্প থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি বাস্তবায়নে বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি ও অপচয় কমাতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।

সহজ শর্তে ঋণ ও দ্রুত ঋণ পুনর্গঠনে গুরুত্ব

জর্জিয়েভা বলেন, নিম্ন আয়ের দেশগুলোর মানুষের কাছে মূল্যস্ফীতি একধরনের করের মতো। মানুষ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি চায়। এ জন্য সরকারের সুস্পষ্ট নীতির পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, দারিদ্র্য হ্রাস ও প্রবৃদ্ধি সহায়তা তহবিলের (পিআরজিটি) আওতায় সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা আগের তুলনায় তিন গুণের বেশি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতেও অতিরিক্ত অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, যেসব দেশের ঋণ পুনর্গঠন প্রয়োজন, তাদের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে জি-২০-এর কমন ফ্রেমওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের ঋণ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই, কিন্তু তাৎক্ষণিক অর্থসংকট রয়েছে, তাদের রাজস্ব আহরণ বাড়ানো ও বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সহজ শর্তের ঋণ উন্নয়ন চাহিদা মেটাতে সহায়ক হতে পারে। তবে নতুন ঋণ নেওয়ার আগে প্রকল্পের সম্ভাব্য আয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ ঋণ পরিশোধের দায় বিবেচনা করা জরুরি। একই সঙ্গে করের আওতা বাড়ানো, কর ফাঁকি কমানো এবং রাজস্ব প্রশাসনের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ অর্থায়নের ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে।

ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাড়ছে সাইবার হামলার আশঙ্কা

ঋণ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আর্থিক খাতের প্রযুক্তিগত ঝুঁকিও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। মোবাইল আর্থিক সেবা, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও অনলাইন লেনদেনের বিস্তার মানুষের আর্থিক সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়িয়েছে। তবে একই সঙ্গে সাইবার হামলা, তথ্য চুরি, প্রযুক্তিগত ত্রুটি এবং একটি প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।

ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন প্রযুক্তি, পেমেন্ট ব্যবস্থা ও সেবার মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। ফলে একটি প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা বা প্রযুক্তিগত বিপর্যয় ঘটলে তার প্রভাব অন্য প্রতিষ্ঠানেও পড়তে পারে। এতে লেনদেন ব্যাহত হওয়া, গ্রাহকের অর্থ ও তথ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আরও জটিল ও লক্ষ্যভিত্তিক সাইবার হামলা চালানোর সম্ভাবনা এ ঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলছে।

আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আইএমএফের আলোচনা

গতকাল শনিবার ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আইএমএফের ‘ফিউচার অব ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক সেমিনারে এসব ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়।

সেমিনারে গ্রিসের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ক্রিস্টিনা পাপাকনস্টান্টিনু এআই-সংশ্লিষ্ট সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতার ওপর গুরুত্ব দেন। আইএমএফের ডেপুটি ডিরেক্টর মিকেলা এরবেনোভা বলেন, ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ব্যবস্থার পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও প্রযুক্তিগত দুর্বলতা থেকে নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই আগেভাগে ঝুঁকি শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার করা জরুরি।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতেও ডিজিটাল সেবার বিস্তারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাইবার নিরাপত্তা ও তদারকির সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল সেবাদাতাদের তথ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা পরীক্ষা, ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং সাইবার হামলার পর দ্রুত সেবা পুনরুদ্ধারের প্রস্তুতি জোরদার করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি গ্রাহকের তথ্য ব্যবহারে স্বচ্ছতা, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

আর্থিক খাতের তদারকি ও সংস্কার জরুরি

আর্থিক খাতের ঝুঁকি মূল্যায়নে আইএমএফের অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হলো ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রাম (এফএসএপি)। দুই দশকের বেশি সময় ধরে চালু থাকা এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের আর্থিক ব্যবস্থার দুর্বলতা, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা হয়।

দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ২০২৬ সালের এফএসএপি পর্যালোচনায় ঝুঁকিভিত্তিক মূল্যায়ন, আর্থিক ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগজনিত ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং সুপারিশ বাস্তবায়ন আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য এ ধরনের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক খাতে শুধু ঋণঝুঁকি ও মূলধনের পর্যাপ্ততা যাচাই করলেই হবে না; প্রযুক্তিগত ঝুঁকি, তথ্যের নিরাপত্তা, ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং সংকটের সময় এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নিতে হবে।

এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানো, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ এবং ঝুঁকির পূর্বাভাস দেওয়ার সক্ষমতা উন্নত করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য বিনিময় এবং সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য সমন্বিত নীতি প্রয়োজন

বাংলাদেশের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো উন্নয়ন ব্যয়ের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বজায় রাখা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থাকে নিরাপদ রাখা। এ জন্য রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, ঋণের অর্থ কার্যকরভাবে ব্যবহার, প্রকল্প ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল আর্থিক সেবায় নিরাপত্তা, জবাবদিহি ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণেও নীতিসহায়তা প্রয়োজন। উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়লে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারিত হতে পারে, যা রাজস্ব আহরণের ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

সব মিলিয়ে, ঋণ পরিশোধের চাপ ও ডিজিটাল আর্থিক ঝুঁকি আলাদা বিষয় হলেও দুটির প্রভাব অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ঋণের বোঝা সামলাতে ব্যর্থ হলে উন্নয়ন ব্যয় সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে আর্থিক খাতের প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা থাকলে লেনদেন, বিনিয়োগ ও গ্রাহকের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তাই বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত নীতি—যার মাধ্যমে ঋণের টেকসই ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন ব্যয়ের কার্যকারিতা এবং নিরাপদ ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২০২৬ ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে শীর্ষ পাঁচে যারা

1

মে মাসে কালবৈশাখী, তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

2

ঈদযাত্রার ট্রেন টিকিটে প্রতারণা ঠেকাতে ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যব

3

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউএনএইচসিআর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগু

4

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের পর নতুন সমীকরণ

5

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক, ফিফার নিয়মে কী আছে

6

গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পেকে টপকে গেলেন মেসি

7

শিশুদের সুরক্ষায় এআই নীতিমালা কঠোর করছে চীন

8

শেষ মুহূর্তের দিয়ালোর গোলে আইভরি কোস্টের দুর্দান্ত সূচনা

9

৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

10

মিরপুর হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

11

দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন তসলিমা নাসরিন

12

নোয়াখালী বিভাগ চাই : সংসদে হান্নান মাসউদ

13

ইউরো ট্রফিই আমার কাছে বিশ্বকাপ : রোনালদো

14

নেইমারকে নিয়ে মন্তব্য করে ভাইরাল,কে এই জাপানি ফুটবলার?

15

আগামী দিনের ফুটবল তারকা কারা, ১০ প্রতিভার নাম প্রকাশ মেসির

16

ব্যাটারির গলিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের ইঙ্গিত অমির

17

রমজানের কাজা রোজা থাকলে আশুরার রোজা রাখা যাবে কি

18

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুদের হার্টের ঝুঁকির কারণ

19

৩ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেল গোলাম রাব্বানীর ‘সাঁতার’

20