ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির জ্যেষ্ঠ গবেষক নোয়াম রেইডানের সংকলিত তথ্যে অক্টোবরে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলপথে ২৮টি নিশ্চিত ও প্রতিবেদনভুক্ত হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৩-তে। <Cite refs={["turn136079news12","turn136079search0"]}/>
আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (আইএমও)-এর তথ্যেও হামলা ও অন্যান্য সামুদ্রিক ঘটনার ব্যাপকতা উঠে এসেছে। সংস্থাটি হরমুজ প্রণালি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত অঞ্চলে সংঘাত শুরুর পর থেকে ১২০টি ঘটনার তথ্য নথিভুক্ত করেছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত তারা সংঘাত-সংশ্লিষ্ট ১৩৫টি ঘটনার খবর পেয়েছে। সংস্থাটির সতর্কতা অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত তথ্য না আসায় সব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া কঠিন। <Cite refs={["turn136079search0","turn136079search1"]}/>
রয়টার্সের আইএমওর তথ্যভিত্তিক পর্যালোচনা অনুযায়ী, সংঘাত চলাকালে ৩০টিরও বেশি অতি বৃহৎ অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা সুপারট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১টি জাহাজ।
বিশ্বে এ ধরনের সুপারট্যাংকারের সংখ্যা ৯০০টির বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলো বিশ্বের মোট সুপারট্যাংকার বহরের প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশের সমান। প্রতিটি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা সম্ভব। <Cite refs={["turn136079news12","turn136079search0"]}/>
হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলপথে হামলা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহন এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকায় ঘটনার মোট সংখ্যা এক নয়। তবে সব হিসাবেই গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে নিরাপত্তাঝুঁকির ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন