অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় প্রাণহানি থামেনি, নিহত ১,৪০০ ফিলিস্তিনি

ইসরাইলি আগ্রাসনে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় নিহত ১,৪০০ ফিলিস্তিনি

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। একই সঙ্গে উপত্যকাটিতে আবাসন, চিকিৎসা ও খাদ্যসংকট আরও গভীর হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অ্যামনেস্টি জানায়, গাজায় এখনো প্রায় ২০ লাখ মানুষের আশ্রয় প্রয়োজন। উপত্যকাটির কোনো হাসপাতালই পুরোপুরি কার্যকর অবস্থায় নেই। এ ছাড়া প্রায় ১৪ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে রয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

ধ্বংসস্তূপের নিচেও ন্যায়বিচারের দাবি

গাজায় হতাহত মানুষের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি বলেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মানুষের ন্যায়বিচারের দাবি উপেক্ষা করা যাবে না।

অ্যামনেস্টির ভাষায়, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবি চাপা দেওয়া যায় না।’

ইসরাইলের জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, ইসরাইলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) বাধ্যতামূলক নির্দেশনা মেনে চলতে চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে।

সংস্থাটির মতে, গাজায় সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরও নৃশংসতা চালানোর ঝুঁকি বাড়তে পারে।

গাজায় আবাসন, চিকিৎসা ও খাদ্যসংকট

দীর্ঘদিনের সংঘাতে গাজার আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছেন। পাশাপাশি খাদ্যসংকট লাখো মানুষের জীবনযাপনকে কঠিন করে তুলেছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, গাজার পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের কাজ আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত।

পুনর্গঠনের পাশাপাশি জবাবদিহির ওপর জোর

সংস্থাটির মতে, গাজায় শুধু অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করলেই চলবে না। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনাও জরুরি।

অ্যামনেস্টির বক্তব্য অনুযায়ী, গাজার দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারের জন্য মানবিক সহায়তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

1

চুক্তি লঙ্ঘন করলে যুক্তরাষ্ট্রকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে: ইর

2

গরমে ত্বকের যত্নে আম

3

হয়রানি না করার নিশ্চয়তা পেলেই দেশে ফিরবেন সাকিব আল হাসান

4

দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন হালান্ডরা

5

ইতিহাসে নতুন রেকর্ড বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের টিকিটের দাম

6

দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিক

7

বুর্জ খলিফাকে ছাড়িয়ে এবার সৌদিতে সর্বোচ্চ ভবন

8

পদ্মা সেতুতে এক দিনে রেকর্ড প্রায় ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

9

যুক্তরাষ্ট্রের উসকানিতে ইরানি দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা

10

ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনাকে সমর্থন হোয়াইট হাউসের

11

এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল: স্কালোনি

12

বিশ্বকাপে মেসিদের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের’ তাল

13

একদলীয় শাসনের চেষ্টা চলছে, জনগণ তা মেনে নেবে না: জামায়াত আ

14

ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, আলোচনায় ফুটবল উন্নয়ন

15

এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই আজ, বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়

16

সাদাপাথর ভ্রমণে নতুন নির্দেশনা

17

বর্ষার পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনসহ ৩ শিশুর

18

বিশ্বকাপসহ ফিফার সব আসর বর্জনের সিদ্ধান্ত ইউরোপের ৫৫ দেশের,

19

আইভরি কোস্টকে হারিয়ে নকআউটে জার্মানি

20