বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে নতুন আঙ্গিকে। প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা-এর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই মহাযজ্ঞ, যার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলোও থাকছে ভিন্নধর্মী ও বর্ণিল।
আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে। এই অনুষ্ঠানে দেশটির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তারকাদের পরিবেশনা থাকছে। একইভাবে ১২ জুন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রেও পৃথকভাবে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এই আয়োজনগুলো অলিম্পিকের খ্যাতিমান ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মার্কো বালিচের তত্ত্বাবধানে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে তিনটি দেশের সংস্কৃতি ও ফুটবলের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। প্রতিটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ম্যাচের প্রায় ৯০ মিনিট আগে শুরু হবে।
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শক টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রে ফক্স স্পোর্টস, টেলেমুন্ডো ও টুবি অ্যাপ, কানাডায় সিটিভি ও টিএসএন, এবং মেক্সিকোতে টেলেভিসা ও টিভি আজতেকা সম্প্রচার করবে।
বাংলাদেশের দর্শকদের জন্যও রয়েছে সুখবর। দেশের সময় টেলিভিশন, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং টি-স্পোর্টস সরাসরি সম্প্রচার করবে বিশ্বকাপের ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
স্টেডিয়ামভিত্তিক এই আয়োজনের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শক ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারবেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও জমকালো এই আসরের উদ্বোধনী মুহূর্ত।