অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অহেতুক ইস্যু বানালে পলাতক স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম হবে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত


 
জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়; এর মূল শক্তি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ- মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হলে তা পতিত, পরাজিত ও পলাতক স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করতে পারে।


বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন।


উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন। সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও সংরক্ষিত নিদর্শন পরিদর্শন করেন।
পরে তিনি ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বহু মানুষ গুম, অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান দমনে গণতন্ত্রকামী মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল। আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরবে। এটি শুধু ২০২৪ সালের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে না, বরং বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের ধারক হবে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের প্রতিটি ঘটনার স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য বিচার আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। এটি কোনো প্রতিহিংসামূলক বিচার হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হচ্ছে এবং অনেক আহত যোদ্ধাকে নিয়মিত সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

দেশ পুনর্গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিও কাজ শুরু করেছে।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশ আর কখনোই তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না-এই প্রত্যাশায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডাকাতের গুলিতে প্রাণ গেল ফুটবলারের

1

মহানাটকীয় জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

2

সবশেষ কবে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল জাপান? জেনে নিন

3

ব্রাজিল ভক্তদের জন্য অস্বস্তিকর এক পরিসংখ্যান, যেখানে এগিয়ে

4

উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, ভাঙবে কি জয়হীনতার রেকর্ড

5

ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা

6

এনআইডি আবেদনে এসএসসি সনদ বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন

7

নানির দেশের আদরে মুগ্ধ রোনান সুলিভানরা

8

পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দেবে ইউনেস্কো

9

মাহফুজ আলম–এমপি সেলিমের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বিতর্ক

10

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় ৮ শিশু নিহত

11

অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

12

এনসিপির ‘নারীশক্তি’র নেতৃত্বে দিবেন যারা

13

১৮২ রানে থামলো নিউজিল্যান্ড

14

কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে পরিকল্পনা বদল স্কালোনির

15

কমছেই না শিশু নির্যাতন

16

ডিজিটাল লেনদেনে কমবে দুর্নীতি ও অর্থ পাচার : গভর্নর

17

বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে যা আছে আইনে

18

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউএনএইচসিআর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগু

19

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে মিসাইল হামলার দাবি

20