অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

সময়মতো টিকা না দেওয়ায় হামে আক্রান্ত ও মৃত্যু বেড়েছে

ছবি: সংগৃহীত

বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের মতে সময়মতো দুই ডোজ টিকা দিতে না পারায় শিশুদের হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ব্যাপকহারে বৃদ্ধির জন্য দায়ী। 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে টিকা ব্যবস্থাপনায় কোথায় ত্রুটি কিংবা অবহেলা ছিল, টিকার ঘাটতি ছিল কেন, তা খুঁজে বের করে, এ সকল জরুরি ব্যবস্থাপনায় কিংবা প্রোগ্রামে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাহলে ভবিষ্যতে হামের এ ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখার সম্ভাবনা থাকবে না  এবং এ সকল প্রোগ্রামে জড়িতরা সতর্ক থাকবে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১১৫ জন। হামে আক্রান্ত তিন জনের মৃত্যু নিশ্চিত এবং উপসর্গে দুই জনের মৃত্যু। আক্রান্ত  ১ হাজার ১১৫ জনের মধ্যে ১২৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ৯৮৮ জনকে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত হামে ৩৭ জনের মৃত্যু এবং উপসর্গ নিয়ে ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে ২১ হাজার ৪৬৭ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে যায়। তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৯৮ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাম শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জনের।

বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জন্মের ৯ মাসে একডোজ (মিজেলস) ও ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ টিকা শিশুর জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এতে হামের মতো সংক্রামক রোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করা সম্ভব। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে টিকা কেনা নিয়ে খামখেয়ালিপনা করা হয়। টাকা বরাদ্দ নিয়ে অনীহা দেখায়। সময়মতো টিকা কেনায় বরাদ্দ দেয়নি। প্রচারসহ অন্যান্য কার্যক্রম প্রায় বন্ধ থাকে। এসব কারণে বর্তমানে শিশুরা ব্যাপকভাবে হামে আক্রান্ত হওয়ার জন্য দায়ী বলে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা জানান। তাদের অভিমত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। শিশুদের হামে অকাল মৃত্যুর জন্য তারাই দায়ী। জীবন রক্ষাকারী যে টিকাসহ ওষুধ সামগ্রীর কোনো বিকল্প নেই, সেই বিষয় সবসময় সতর্কতা জরুরি। এই বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বেনজীর আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘টিকা কার্যক্রম শিশুদের জীবন রক্ষাকারী বিষয়। এই ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি চিহ্নিত করা অতীব জরুরি। টিকা কেনা কিংবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অথবা টাকা বরাদ্দ নিয়ে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। তাহলে এই ধরনের অতীব জরুরি ব্যবস্থাপনা জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দায়িত্ব পালনে সতর্ক থাকবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পোল্যান্ডে ৫ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

1

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবির তৎপরতা জ

2

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্ট

3

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু

4

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

5

গাবতলীতে কোরবানির হাটে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ

6

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন ঘোষণা, ভিসি অবাঞ্ছিত

7

নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

8

বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, জানা গেল পাত্রীর পরিচয়

9

স্বামী ছাত্রদলে পদ পাওয়ায় খুশিতে ফেসবুকে স্ত্রীর পোস্ট

10

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭০ বাংলাদেশি

11

ঈদের দিন বর্জ্য অপসারণের সময় নির্ধারণ ঢাকা উত্তরের

12

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪ ফিলিস্তিনি

13

হজ শেষে শুরু হলো ওমরাহ ভিসা আবেদন

14

মাতাল অবস্থায় সিংহের খাঁচায় যুবক, তারপর যা ঘটল

15

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের যুদ্ধের শঙ্কা ইরানের

16

হাভার্টজের শেষের গোলে আর্সেনালের জয়

17

পেজ ফিরে পেলেন ভাইরাল তাজু

18

বিশ্বে ইরানের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে : আব্বাস আরাগচি

19

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুতে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া

20