অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়েলে পাঁচ বিরোধী নেতার ঐক্য, নেতৃত্ব নিয়ে রয়ে গেছে প্রশ্ন

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছেন দেশটির পাঁচ বিরোধী নেতা। আগামী ২৭ অক্টোবরের পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে নিজেদের মধ্যে বিরোধ কমিয়ে নির্বাচনী প্রচার সমন্বয় এবং বিকল্প সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। গত ২৬ সেপ্টেম্বর তেল আবিবে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদের বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাঁরা পারস্পরিক আক্রমণ থেকে বিরত থাকা এবং যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তবে এই সমঝোতায় প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়নি। সূত্র: The Times of Israel

বৈঠকে অংশ নেওয়া পাঁচ নেতা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট, বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট, ডেমোক্র্যাটস পার্টির প্রধান ইয়ার গোলান এবং ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির নেতা আভিগদর লিবারম্যান। তাঁদের লক্ষ্য নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারকে পরাজিত করে বিকল্প সরকার গঠনের জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করা। ঘোষণায় ইসরায়েলের জন্য একটি ‘ইহুদিবাদী ও দায়িত্বশীল সরকার’ গঠন এবং রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে।

তবে এই ঐক্যকে এখনই পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক জোট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নেতাদের মধ্যে নিরাপত্তানীতি, ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ, আরব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা এবং পরবর্তী সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার কতটা কার্যকর হয় এবং ভোটের পর তাঁরা একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে পারেন কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। সূত্র: Al Jazeera

গাদি আইজেনকোট: নিরাপত্তা সংস্কার ও সামরিক সেবায় সমতার দাবি

সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তিনি ইয়াশার পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের অন্যতম দিক হলো সরকার পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধি, অতি-রক্ষণশীল ইহুদিদেরসহ সব নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার ব্যবস্থা এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার আগে নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা তদন্তে রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠন।

২০২৪ সালের জুনে যুদ্ধ শেষ করার সুস্পষ্ট কৌশল না থাকার অভিযোগ তুলে নেতানিয়াহুর যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ান আইজেনকোট। তবে ইরানসহ আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক নীতির মৌলিক লক্ষ্য নিয়ে তাঁর অবস্থান নেতানিয়াহুর থেকে পুরোপুরি আলাদা নয়। বিভিন্ন সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইসরায়েলের নির্ভরতা এবং লেবাননে সামরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে মার্কিন বিধিনিষেধ নিয়েও তিনি সমালোচনা করেছেন।

সরকার গঠনের প্রশ্নে আইজেনকোট আরব দল ইউনাইটেড আরব লিস্ট বা রা’আমের সঙ্গে জোট করার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থাকলেও ফিলিস্তিনি ও আরব রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ: একই নির্বাচনী তালিকায় দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলের সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ ২০২৬ সালের এপ্রিলে বেয়াখাদ নামে যৌথ নির্বাচনী তালিকা গঠনের ঘোষণা দেন। ২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে তাঁরা পর্যায়ক্রমে দেশটির সরকার পরিচালনা করেছিলেন। তাঁদের যৌথ নির্বাচনী উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো নেতানিয়াহুবিরোধী ভোটকে একত্র করা এবং পার্লামেন্টে সরকার গঠনের মতো সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করা।

বেনেট দীর্ঘদিন ধরে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, মধ্যপন্থী রাজনীতির নেতা লাপিদ ইয়েশ আতিদ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। লাপিদ বেনেটকে ডানপন্থী হলেও সৎ রাজনীতিক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থানের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর বিকল্প সরকার গঠনের লক্ষ্য তাঁদের একত্র করেছে।

ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে লাপিদ সমালোচনা করলেও সামরিক পদক্ষেপগুলোর মূল যৌক্তিকতা নিয়ে তাঁর অবস্থান সাধারণত সীমিত। অন্যদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের সমর্থক বেনেট ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলার প্রশংসা করেছিলেন। ওই হামলায় কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেনেট ও লাপিদ উভয়েই ইহুদিবাদী দলগুলোর সমন্বয়ে সরকার গঠনের পক্ষে। আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করে সরকার গঠনের বিষয়ে তাঁদের অনীহা রয়েছে। এই অবস্থান নির্বাচনের পর সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আভিগদর লিবারম্যান: ডানপন্থী রাজনীতি থেকে নেতানিয়াহুবিরোধী অবস্থান

ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির প্রধান আভিগদর লিবারম্যান দীর্ঘদিন ধরে দেশটির ডানপন্থী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতা। রুশভাষী অভিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি ১৯৯৯ সালে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। একসময় নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী থাকলেও বর্তমানে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন লিবারম্যান।

অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলোর অংশগ্রহণ কিংবা আরব রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনে গঠিত সরকার—দুই ক্ষেত্রেই আপত্তি রয়েছে তাঁর। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ধারাবাহিক সমর্থক লিবারম্যান ২০১৮ সালে বলেছিলেন, গাজায় কোনো নিরপরাধ মানুষ নেই। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দোহায় হামলার জন্য নেতানিয়াহুর ক্ষমা চাওয়ার বিরোধিতাও করেছিলেন তিনি। লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সীমিত রাখার বিরুদ্ধেও তাঁর অবস্থান রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর বিরোধিতা লিবারম্যানের বর্তমান সমঝোতার অন্যতম ভিত্তি। তবে তাঁর নিজস্ব সমর্থকগোষ্ঠী এবং রুশভাষী ভোটারদের মধ্যে প্রভাব রয়েছে। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালে তিনি আবারও নেতানিয়াহুর ডানপন্থী শিবিরের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে পারেন কি না, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। তবে এ ধরনের সম্ভাবনা এখনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ; নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নয়।

ইয়ার গোলান: ফিলিস্তিন প্রশ্নে তুলনামূলক সমালোচনামুখর অবস্থান

অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ইয়ার গোলান ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা এবং পাঁচ বিরোধী নেতার মধ্যে বামপন্থী রাজনীতির প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালে লেবার পার্টি ও মধ্য-বামপন্থী মেরেতজের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডেমোক্র্যাটস পার্টি গঠিত হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার সময় দক্ষিণ ইসরায়েলে গিয়ে প্রতিরোধে সহায়তা করায় গোলান দেশে প্রশংসা পেয়েছিলেন। তবে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের লক্ষ্য, কৌশল এবং বেসামরিক মানুষের ওপর এর প্রভাব নিয়ে অন্য বিরোধী নেতাদের তুলনায় বেশি সমালোচনা করেছেন তিনি।

২০২৫ সালের মে মাসে গাজায় শিশুদের হত্যার বিষয়ে ইসরায়েলের আচরণ নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন গোলান। গাজায় ফিলিস্তিনি শিশুদের অনাহারে রাখার অভিযোগে ইসরায়েলি মন্ত্রীদেরও সমালোচনা করেছিলেন তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য নিয়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয় এবং পরে তিনি বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনাকেও গোলান কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ন্যায়সংগত কি না—শুধু তা নয়, বরং এমন পদক্ষেপ ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ পূরণ করেছে কি না, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে তুলনামূলকভাবে আগ্রহী হলেও আরব বালাদ পার্টির নেতা সামি আবু শাহাদেহকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় গোলান সমালোচনার মুখে পড়েন। ফলে ফিলিস্তিন প্রশ্নে তাঁর অবস্থান অন্য বিরোধী নেতাদের তুলনায় আলাদা হলেও এ বিষয়ে তাঁর নীতিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

নেতানিয়াহুর বিকল্প সরকার গঠনে কী কী বাধা?

ইসরায়েলের বিরোধী নেতাদের মধ্যে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্য নিয়ে ঐকমত্য থাকলেও ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার নীতি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসরায়েলি রাজনীতি বিশেষজ্ঞ রই জুরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গোলান ও লিবারম্যানের মধ্যে নিরাপত্তা ও সংঘাতের প্রশ্নে পার্থক্য রয়েছে। তবু তাঁদের ছাড়া কার্যকর সরকার গঠন কঠিন হতে পারে। ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি সমর্থন, অতি-রক্ষণশীল ইহুদিদের সামরিক সেবায় অংশগ্রহণ এবং নেতানিয়াহুর সরকারের বিরোধিতার মতো বিষয়ে তাঁদের মধ্যে মিল রয়েছে।

আরেকটি বড় বাধা হলো আরব দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক। ইসরায়েলের আরব রাজনৈতিক দলগুলোর পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে, কিন্তু পাঁচ বিরোধী নেতার কয়েকজন তাঁদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের বিরোধী। ফলে নির্বাচনে বিরোধী শিবির পর্যাপ্ত আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন কঠিন হতে পারে। ১২০ সদস্যের ইসরায়েলি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য সাধারণত অন্তত ৬১ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।

ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, গাজার ভবিষ্যৎ, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি, আঞ্চলিক সামরিক সংঘাত এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক—এসব বিষয়েও বিরোধী নেতাদের অবস্থান পুরোপুরি এক নয়। ফলে নেতানিয়াহুর বিকল্প সরকার এলেও ইসরায়েলের ফিলিস্তিননীতি বা সামরিক কৌশলে কতটা পরিবর্তন আসবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় রয়েছে।

নির্বাচনের আগে ঐক্য, ফলাফলের পর কঠিন সমীকরণ

২৭ অক্টোবরের নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঁচ বিরোধী নেতার সমঝোতা ইসরায়েলের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী উদ্যোগ। পারস্পরিক আক্রমণ এড়িয়ে প্রচার সমন্বয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সরকার গঠনের প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তাঁরা। তবে এই সমঝোতা এখনো নেতৃত্বের প্রশ্ন বা সব নীতিগত মতপার্থক্যের সমাধান করেনি।

নির্বাচনের ফলাফল, পার্লামেন্টে আসনসংখ্যা, আরব দলগুলোর ভূমিকা এবং জোটসঙ্গীদের মধ্যে সমঝোতার ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী সরকার গঠনের সম্ভাবনা। নেতানিয়াহুবিরোধী ঐক্য কতটা কার্যকর হবে, তা নির্বাচনের আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। একইভাবে, নতুন সরকার গঠিত হলেও ফিলিস্তিন প্রশ্ন ও আঞ্চলিক সংঘাতের ক্ষেত্রে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন ঘটবে কি না, সেটিও নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা রোমেরোকে দলে টানতে মরিয়া অ্যা

1

ঢাকার ১১ ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ বাধ্যতামূলক

2

মেসির বিদায়ে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হোসে মরিনহোর আবেগঘন বার্তা

3

উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন কানাডার অধিনায়ক ডেভিস

4

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে রেফারির প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিখুঁত ছিল

5

কুয়েতে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা পাঠাল বাংলাদেশ

6

ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ নেতানিয়াহু, ইরান যুদ্ধ ঘিরে সম্পর্কে ট

7

তারেক রহমান আমাদের কাজী নজরুল: চিফ হুইপ

8

তীব্র তাপপ্রবাহে বিদ্যুৎ সংকট চরমে

9

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না : সিইসি

10

৭০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার বার্ষিক লোকসানে হোন্ডা

11

মার্কিন যুদ্ধবিমানের উড্ডয়ন রুট এখন ইরানের হাতে

12

রেফারিকে আঙুল তুলে শাসালেন মেসি, জানা গেল আসল ঘটনা

13

বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত বাদ পড়েছে যেসব দল, দেখে নিন

14

অবসরের সিদ্ধান্ত নেইমারের, বিশেষ অনুরোধ তার বাবার

15

ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়? যা বললেন স্কালোনি

16

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগ নেত্রীর মেয়ে

17

স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় জামিন পেলেন আলভী

18

বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে যা আছে আইনে

19

ফিফার ‘ওয়াটার ব্রেক’ নিয়ে বিশ্বকাপে নতুন বিতর্ক

20