হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে তারেক হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি সাহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দামি আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যার অভিযোগে করা এ মামলায় মঙ্গলবার উপজেলার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সাহেল মিয়া চৌশতপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে। নিহত তারেক একই গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে বন্ধুত্বের সূত্র ধরে সাহেল ও তারেক হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় যান। সে সময় তারেকের কাছে একটি দামি আইফোন ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, ওই ফোনের লোভে তারেককে হত্যা করেন সাহেল। পরে তাঁর মরদেহ লাখাই এলাকার একটি খালে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
তারেক নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সন্ধান না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশি তদন্তে এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ সামনে আসে।
মামলার প্রধান পলাতক আসামি সাহেলকে গ্রেপ্তারের পর নিহতের মরদেহ উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাহেলকে গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত তারেকের মরদেহ উদ্ধারে লাখাই থানার এলাকায় যায় পুলিশের একটি দল। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল হোসেন ও এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল হোসেন সাহেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন