ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

পশুর হাটে ক্রেতা কম, হতাশ বিক্রেতারা

সংগৃহীত ছবিসংগৃহীত ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু-ছাগলের সরবরাহ থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার দেখা মিলছে না। ফলে বিক্রি কম হওয়ায় হতাশায় পড়েছেন খামারি ও বিক্রেতারা। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাট ঘুরে দেখা গেছে, এবার ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি।

বিক্রেতারা জানান, গত বছরের তুলনায় পশুখাদ্য, পরিবহন ও লালন-পালনের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেই অনুযায়ী পশুর দাম চাইলেও ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে কিনতে চাইছেন। অনেকেই শুধু হাটে এসে পশুর দাম যাচাই করে ফিরে যাচ্ছেন।

রাজধানীর গাবতলী, উত্তরা দিয়াবাড়ী, শাহজাহানপুর, কমলাপুর, তেজগাঁও পলিটেকনিক মাঠসংলগ্ন হাট ও পূর্ব হাজিপাড়া ইকরা মাঠে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকে করে গরু-মহিষ আনা হয়েছে। বিশাল আকৃতির দেশি গরুগুলো দর্শনার্থীদের নজর কাড়লেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে।

তেজগাঁও পলিটেকনিক-সংলগ্ন হাটে সিরাজগঞ্জ থেকে আসা বেপারী সাইফুল আলম বলেন, এখনো ক্রেতা কম, তবে ঈদের আগের দু-এক দিনে হাট জমে উঠবে বলে আশা করছেন। একই ধরনের আশা প্রকাশ করেছেন জামালপুর থেকে আসা বিক্রেতা আব্বাস আলীও। তার মতে, ক্রেতারা হাটে আসছেন, দরদাম করছেন, কিন্তু কেনাকাটা কম হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। সিলেটে এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি পশুর হাট। সিটি করপোরেশনের স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রংপুরে অনেক হাটে ক্রেতার চেয়ে পশুর সংখ্যা বেশি। তবে শেষ মুহূর্তে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। রাজশাহীতে আবার অনেক ক্রেতা সরাসরি খামারে গিয়ে পশু কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। হাটের ভিড়, দালালের উৎপাত ও অতিরিক্ত হাসিল এড়াতেই এমন প্রবণতা বাড়ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে বগুড়ার পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠলেও অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

চট্টগ্রামের হাটগুলোতেও বিপুল সংখ্যক পশু উঠলেও এখনো জমেনি বেচাকেনা। একইভাবে ময়মনসিংহে পশুর সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা কম থাকায় হতাশ খামারিরা। খুলনায় মাঝারি আকৃতির দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে অনেক পরিবার এবার আগের মতো বড় বাজেটে কোরবানি দিতে পারছে না। তবে ঈদের আগের শেষ দুই দিনে পশুর হাটে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনা জমে উঠবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন দিগন্ত

1

৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি

2

শিশু রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

3

দেশে বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে ৩১ বিলিয়ন ছাড়াল

4

রোম পুড়লে নিরো হয়ে বসবো না: ডা. শফিকুর রহমান

5

হরমুজ প্রণালিতে ইরানি নৌযানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা

6

দুই দিন আগেই ঈদের নামাজ আদায় করলেন পীর

7

স্পিকারের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

8

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসিম মুনিরের বৈঠক

9

বিশ্বকাপ জমাতে দাই দাই গান নিয়ে আসছেন শাকিরা

10

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

11

‘সংসদ কোনো ফাইজলামির জায়গা না : ইলিয়াস

12

মে দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ

13

নারীর প্রতি কেন বিদ্বেষপূর্ণ ভাষা

14

আমরা হারিনি, পদত্যাগে অস্বীকৃতি মমতার

15

২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু

16

ইরান যুদ্ধ ও সময়সীমার চাপে ট্রাম্প

17

কাতার নয়, অন্য কোনো দেশেও যেতে রাজি নন শেখ হাসিনা

18

ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে জাদুঘর গড়ার পরিকল্পনা ইরানের

19

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ ও রাফে সালামান

20