অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের পাঁচটি অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগের জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাতগুলো হলো মোটরযান উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতা, রেলপথ ও সরবরাহব্যবস্থা এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্প।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে টোকিওতে জাপান বৈদেশিক বাণিজ্য সংস্থার (জেট্রো) হলে আয়োজিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে মূল বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা এবং নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টির জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোকে এসব গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।

বাংলাদেশে ৩৫০ জাপানি কোম্পানি, বিনিয়োগে রয়েছে সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক সম্পর্কের সম্ভাবনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে বাংলাদেশে জাপানের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের পরিমাণ এখনো ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের কম।

তিনি জানান, সর্বশেষ অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১৩৬ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে জাপান থেকে বাংলাদেশ ২১৬ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে শুধু উন্নয়ন সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে। আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তি তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তরের আহ্বান

বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটি বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।

তিনি তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও স্মরণ করেন। তাঁদের জাপান সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করতে ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের এটিই প্রথম এ ধরনের চুক্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে, ইস্পাত, মোটরযানের যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক উপাদানসহ জাপানি পণ্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাবে।

মোটরযান উৎপাদনে জাপানি কোম্পানিকে গুরুত্ব

বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বাজার, গড়ে ২৭ বছর বয়সী উদ্যমী তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি দেশের বড় সম্পদ। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ভোক্তা অর্থনীতির একটি হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাঁচ অগ্রাধিকার খাতের প্রথমটি হিসেবে মোটরযান উৎপাদনের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমান জানান, চলতি মাসের শুরুর দিকে টয়োটা বাংলাদেশে একটি যানবাহন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের কাজ শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে টয়োটাকে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগের আহ্বান

জ্বালানি খাতে জাপানি কোম্পানিগুলোকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো, দক্ষ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সামগ্রিক জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানি কোম্পানিগুলো এসব পরিকল্পনার আওতায় বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে পারে।

এ খাতে জাপানের জেরা (JERA)-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

প্রযুক্তি পার্ক ও মহাকাশ গবেষণায় সহযোগিতার পরিকল্পনা

প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ-জাপান প্রযুক্তি পার্ক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানি কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ততায় সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস ও ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকেন্দ্রিক উদ্ভাবনমুখী প্রযুক্তি পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মহাকাশ প্রযুক্তিতেও দুই দেশের সহযোগিতার উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশের মহাকাশবিষয়ক সক্ষমতা বাড়াতে মহাকাশবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও স্যাটেলাইট প্রকৌশলে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ক্ষেত্রে জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধান করতে চায় বাংলাদেশ।

উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়তে চায় বাংলাদেশ

রেলপথ ও সরবরাহব্যবস্থাকে আরেকটি অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালসহ দেশের প্রধান শহরগুলোকে যুক্ত করে দেশব্যাপী উড়ালপথে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বিশ্লেষণ, রুটের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার মতো কাজে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিগরি ও বিনিয়োগ সহায়তা চান তিনি।

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্পে সুযোগ

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ফসল, ফলমূল ও শাকসবজি উৎপাদিত হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এ খাতে জাপানি কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানের আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানি প্রতিষ্ঠান সুমিতোমো করপোরেশন জাপানি মানদণ্ড অনুসরণ করে এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি গড়ে তুলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে সরকার

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে জাপানি কোম্পানিগুলোর উদ্বেগের বিষয়েও কথা বলেন তারেক রহমান। নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, দক্ষ অবকাঠামো এবং শুল্ক ও করব্যবস্থায় পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কথা সরকার শুনেছে। এসব সমস্যা সমাধান এবং আরও ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা পরিচালনার জন্য নিশ্চয়তা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা প্রয়োজন। এ দুটি নিশ্চিত করার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।

জাপানি ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও দক্ষতা অর্জনের জন্য জাপানে যান। পরে দেশে ফিরে তাঁরা অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগান।

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা শেখানোকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি লাখ লাখ তরুণকে জাপানি ভাষায় দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাপানি ভাষায় দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীরা দুই দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তরের ওপর জোর দেন তিনি।

অর্থনৈতিক ফোরামে ব্যবসায়ী নেতাদের অংশগ্রহণ

বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় জেট্রো ও জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) যৌথ আয়োজনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও জাপানের ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে জেট্রোর প্রেসিডেন্ট সুসুমু কাতাওকা উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিনজি ওয়াকায়ামা। এ সময় বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময় এবং বিনিয়োগ ও সহযোগিতামূলক প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অন্যদিকে, দেশে বিনিয়োগ সহজ করতে গৃহীত সংস্কার ও নতুন উদ্যোগ তুলে ধরেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

মিৎসুই অ্যান্ড কোম্পানি (এশিয়া প্যাসিফিক) প্রাইভেট লিমিটেডের ঢাকা শাখার মহাব্যবস্থাপক ও কান্ট্রি চেয়ারপারসন কেনিচিরো কাওয়ামোতো ‘টুগেদার ফর আ ব্রাইটার বাংলাদেশ’ শীর্ষক উপস্থাপনা দেন। ওয়াইকেকে করপোরেশনের গ্লোবাল সেলস হেডকোয়ার্টার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট রেইসুকে আরাতানি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

এ ছাড়া, বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাময় ব্যবসায়িক খাত নিয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হামে ৪০% শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তির দুই দিনের মধ্যেই

1

‘এই জয় তার জন্য উপহার’ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ম্যারাডোনাকে স্মরণ

2

সৌদিগামী ফ্লাইটে সতর্কতা, যাত্রীদের সহায়তায় এয়ারলাইনসকে নতুন

3

উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, ভাঙবে কি জয়হীনতার রেকর্ড

4

প্রাক্তনকে পুরোপুরি ভুলতে সময় লাগে ৮ বছর, বলছে গবেষণা

5

প্রজন্মের পর প্রজন্ম টিকে থাকা বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা-প্রেম

6

হামের প্রকোপে নিভে গেছে কিছু আলো : সাকিব

7

অর্থনীতির সব সূচকই চাপে: মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, রিজার্ভে টান

8

ট্রাম্প যার হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চায়

9

অনলাইন পোস্টের জেরে ইরানি তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

10

সোনার দাম কমল ভরিতে ২১৫৮ টাকা

11

কৃত্রিম বৃষ্টি নামিয়ে মরুভূমিকে সবুজ করবে সৌদি আরব

12

পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি

13

কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

14

বিজেপি সভাপতিকে চিঠি দিলেন তারেক রহমান

15

নেইমারকে নিয়ে ভাইরাল ‘রাগ করলা’ ট্রেন্ডে মেতেছে ফিফা

16

চীন মোকাবিলায় ইসরাইল-আমিরাতের দিকে ঝুঁকছে ভারত

17

চুল কেটে ভিডিও কলে গার্দিওলাকে চমকে দিলেন হালান্ড

18

সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিকাশে টাস্কফোর্স গঠন, সদস্য ১৩ জন

19

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬.৬৮ শতাংশ

20