অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রেসিডেন্ট হতে তুরস্কের সমর্থন চান সাদ্দাম হাফতার

লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে তুরস্কের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত বিতর্কিত চুক্তিকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন দেশটির পূর্বাঞ্চলের সামরিক নেতা খলিফা হাফতারের ছেলে সাদ্দাম হাফতার। দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা করে আসা চুক্তিটি পূর্বাঞ্চলীয় আইনসভায় অনুমোদিত হওয়ার পর দেশটির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, এই অনুমোদন শুধু তুরস্কের কূটনৈতিক সাফল্য নয়; বরং সাদ্দাম হাফতারের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁর লক্ষ্য, লিবিয়ার ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছানো। আর সে পথে তুরস্কের সমর্থন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


সমুদ্রসীমা চুক্তি অনুমোদনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ


গত ২০ অক্টোবর বেনগাজিভিত্তিক লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটেটিভস) তুরস্কের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত চুক্তিটি অনুমোদন করে। প্রায় সাত বছর ধরে পূর্ব লিবিয়া এই সমঝোতার বিরোধিতা করে আসছিল। তবে মাত্র এক অধিবেশনেই চুক্তিটি অনুমোদিত হওয়ায় সিদ্ধান্তটির পেছনে রাজনৈতিক কৌশল কাজ করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


চুক্তিটির বিরোধিতা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), গ্রিস, ইসরায়েল ও মিসর। তাদের আপত্তির মধ্যেও অনুমোদনটি সাদ্দাম হাফতারের জন্য তুরস্কের সমর্থন পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।


বর্তমানে লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ত্রিপোলি ও পূর্বাঞ্চলের বেনগাজির মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি সমঝোতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরব ও আফ্রিকাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাসাদ বুলোস এই উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সাদ্দাম হাফতারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।


পশ্চিম লিবিয়ায় তুরস্কের উল্লেখযোগ্য প্রভাব থাকায় দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নির্ধারণে আঙ্কারার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সমুদ্রসীমা চুক্তির অনুমোদনকে তুরস্কের সমর্থন পাওয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা।


আইনসভার নেতৃত্বে পরিবর্তন, কমেছে বিরোধিতার বাধা


প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে সাদ্দাম হাফতারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের নেতৃত্বে পরিবর্তন। সমুদ্রসীমা চুক্তি অনুমোদনের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে দীর্ঘ ১২ বছর দায়িত্ব পালন করা স্পিকার আগিলা সালেহকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


সালেহ পূর্ব লিবিয়ায় মিসরের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মিত্র ছিলেন। একই সঙ্গে তুরস্কের সঙ্গে সমঝোতা অনুমোদনেরও বিরোধিতা করছিলেন তিনি। ফলে তাঁর অপসারণে একদিকে মিসরের প্রভাব কমেছে, অন্যদিকে চুক্তি অনুমোদনের পথ সহজ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।


তবে সালেহর গুরুত্ব শুধু মিসরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার হিসেবে এবং লিবিয়ার আনুষ্ঠানিক ক্ষমতাকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে তাঁর অবস্থান ছিল প্রভাবশালী। ওবেইদাত গোত্রের মধ্যেও তাঁর শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। লিবিয়ার গোত্রভিত্তিক রাজনীতিতে এই প্রভাব ক্ষমতা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


তাঁকে সরিয়ে দেওয়ায় সাদ্দামের সামনে রাজনৈতিক বাধা কমেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। একই সঙ্গে খলিফা হাফতারের বয়সজনিত কারণে ভবিষ্যতে ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাবনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।


সালেহর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আল-সালহিন আবদুলনবি। তিনিও ওবেইদি গোত্রের সদস্য এবং প্রতিনিধি পরিষদের লিবিয়া-তুরস্ক মৈত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর নিয়োগ গোত্রভিত্তিক প্রতিক্রিয়া সামাল দেওয়ার পাশাপাশি তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আইনসভার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে।


সাদ্দামের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র


লিবিয়ার ক্ষমতার সমীকরণে সাদ্দাম হাফতারের পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের ওপর। ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী।


তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কূটনৈতিক তৎপরতা এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের সুসম্পর্ক এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারে।


সাদ্দাম আশা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার মাধ্যমে গ্রিস ও সাইপ্রাসের আপত্তি এবং তুরস্কের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে ইসরায়েলের উদ্বেগ সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। তবে এতে ট্রাম্প প্রশাসনের তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক সমঝোতার প্রচেষ্টা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে।


ইসরায়েলের বিরোধিতাকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে সাদ্দামের সামনে। তিনি ইসরায়েলের বিরোধিতা করে নিজেকে জাতীয় স্বার্থের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরতে পারেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে তাঁর গোপন যোগাযোগ রয়েছে—এমন ধারণা দূর করারও সুযোগ তৈরি হতে পারে।


ইউরোপের দুর্বল অবস্থানে সুবিধা পেতে পারে আমিরাত


লিবিয়াকে ঘিরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক প্রভাব ক্রমেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বেনগাজি সফরে গিয়ে ইইউর অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ও সদস্যদেশের তিন মন্ত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে ইউরোপীয় দেশগুলো এর জবাবে কঠোর অবস্থান না নিয়ে তুলনামূলক নমনীয় পথ বেছে নেয়।


এর এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে গ্রিস সফর করেন সাদ্দাম হাফতার। সেখানে বিকল্প সমুদ্রসীমা চুক্তিতে সম্মত হওয়ার প্রতিশ্রুতি না দিয়েই তিনি আলোচনা এড়িয়ে যান।


বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অতিরিক্ত মনোযোগ লিবিয়াবিষয়ক নীতিকে সংকীর্ণ করেছে। বিশেষ করে লিবিয়ার পূর্ব উপকূল থেকে ক্রিট দ্বীপের দিকে যাওয়া অভিবাসীবাহী নৌযানের সংখ্যা কমানো ইউরোপের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রসীমা পাহারা দেওয়ার জন্যও সাদ্দামের ওপর নির্ভর করতে চাইছে ইউরোপ। ফলে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত বিতর্কিত উদ্যোগের জন্য তাঁকে জবাবদিহির আওতায় আনা কঠিন হতে পারে।


অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সাদ্দামের রাজনৈতিক সাফল্য দেখতে আগ্রহী বলে মনে করা হচ্ছে। খলিফা হাফতারের ছেলেদের মধ্যে সাদ্দামকে আমিরাতের সবচেয়ে বিশ্বস্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁকে লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষে প্রতিষ্ঠিত করা গেলে হাফতার পরিবারকে ঘিরে আবুধাবির দীর্ঘদিনের বিনিয়োগও সার্থক হতে পারে।


যদিও গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে আমিরাতের ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত রয়েছে, তুরস্কের সঙ্গে সমুদ্রসীমা চুক্তিতে সম্মতি দেওয়া তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য সমঝোতা হতে পারে। তবে আঙ্কারার সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা ভবিষ্যতে সাদ্দামের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বাধীনতা সীমিত করে দিতে পারে।


মিসরের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা


সাদ্দাম হাফতারের পরিকল্পনার অন্যতম বড় অনিশ্চয়তা মিসরের অবস্থান। সমুদ্রসীমা চুক্তির বিরোধিতা করে কায়রো যে বক্তব্য দিয়েছে, তাতে মিসরের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলের ওপর চুক্তিটির সম্ভাব্য প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বক্তব্যটি মূলত আইনি যুক্তিতে সীমাবদ্ধ থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, মিসর এখনও রাজনৈতিকভাবে বিকল্প পথ খোলা রাখতে চাইছে।


সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কের সঙ্গে মিসরের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সুদান ও লোহিত সাগর নিয়ে দুই দেশ বেশ কয়েকটি বিষয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। ইসরায়েলের সম্প্রসারণবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়েও তাদের অভিন্ন উদ্বেগ রয়েছে।


বাণিজ্যিক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবের মাধ্যমে সাদ্দাম মিসরের বিরোধিতা কমানোর চেষ্টা করতে পারেন। তবে কায়রো চাইলে তুরস্কের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে হাফতার পরিবারের অন্য কাউকে সমর্থন দিতে পারে।


এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে উঠে আসতে পারেন সাদ্দামের ভাই খালেদ হাফতার। তিনি লিবিয়ান আরব আর্মড ফোর্সেসের চিফ অব স্টাফ এবং সাদ্দামের তুলনায় কায়রোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচিত। চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগেরও প্রকাশ্য সমালোচনা করেছিলেন তিনি।


মিসর যদি খালেদকে সমর্থন দেয়, তাহলে সাদ্দামের দর-কষাকষির ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। কারণ, তুরস্কের সমর্থন পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত সমুদ্রসীমা চুক্তিটি ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে।


সুদান সংঘাতেও জটিল হতে পারে হিসাব


সুদানের সংঘাত সাদ্দাম হাফতারের রাজনৈতিক পরিকল্পনার জন্য আরেকটি বড় বাধা হয়ে উঠতে পারে। দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) প্রতি সমর্থন বন্ধ করলে তুরস্ক ও মিসরের সমর্থন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কারণ, উভয় দেশই সুদানের সেনাবাহিনীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।


তবে এমন সিদ্ধান্ত নিলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবুধাবির সমর্থন হারালে সাদ্দামের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।


ফলে তাঁকে একদিকে আমিরাতের সমর্থন ধরে রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে হচ্ছে। সাদ্দামের হিসাব, যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রসীমা চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার আগপর্যন্ত তিনি দুই পক্ষের সমর্থন ধরে রাখতে পারবেন।


তবে এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি না হলে তাঁর ভাইদের সঙ্গে কিংবা নতুন ক্ষমতাকাঠামোর বাইরে থাকা গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে বিরোধ দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে সেই সংঘাত সহিংস রূপও নিতে পারে।


বাবার সামরিক পরাজয়ের স্মারকই ছেলের ক্ষমতার হাতিয়ার


লিবিয়ার রাজনীতিতে তুরস্কের সঙ্গে সমুদ্রসীমা চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। যে চুক্তিকে এখন সাদ্দাম হাফতার নিজের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন, সেটিই একসময় তাঁর বাবা খলিফা হাফতারের সামরিক পরাজয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল।


২০২০ সালে ত্রিপোলির উপকণ্ঠে খলিফা হাফতারের বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামাতে তুরস্ক সামরিক হস্তক্ষেপ করে। এর ফলে হাফতারের বাহিনী ও তাঁর পক্ষে লড়াই করা ভাড়াটে যোদ্ধাদের পিছু হটতে হয়। তুরস্কের এই হস্তক্ষেপের প্রেক্ষাপটেই ত্রিপোলিভিত্তিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত সমঝোতা হয়েছিল।


যে ত্রিপোলি দখল করতে গিয়ে খলিফা হাফতার ব্যর্থ হয়েছিলেন, সেই ত্রিপোলির ক্ষমতার কাঠামোয় তাঁর ছেলের উত্থানের পথ তৈরি হতে পারে একই সমঝোতার মাধ্যমে। অর্থাৎ, পরিবারের অতীত সামরিক বিপর্যয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি চুক্তিই এখন রাজনৈতিক উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।


তবে শেষ পর্যন্ত সাদ্দাম হাফতারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা, তুরস্কের সমর্থন এবং মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থানের ওপর। ওয়াশিংটন সমঝোতার উদ্যোগ এগিয়ে নিলে তাঁর সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে গেলে তাঁর রাজনৈতিক পরিকল্পনাও বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।


সূত্র: আল-জাজিরা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শত্রুদের জন্য ‘চমক’ অপেক্ষা করছে, হুঁশিয়ারি ইরানের

1

বৃষ্টির দিনে ঘুম ঘুম লাগার কারণ কী? জেনে নিন

2

সংরক্ষিত নারী প্রার্থীদের যত সম্পদ

3

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নেওয়া হলো অভিনেত্রী কারিনা কায

4

হত্যার পরদিন অপ্রতিমের মা ড. নাহিদার সঙ্গে দেখা করে খুনিরা

5

শনিবার থেকে ইরানের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু

6

‘কবুল’ ছাড়াও যেসব শব্দে ইসলামে বিয়ে সম্পন্ন হতে পারে

7

ঈদযাত্রায় রাজধানী ছাড়ছেন পোশাক শ্রমিকরা

8

‘নোংরা ফুটবল’ খেলেই জিতেছে ফ্রান্স, স্বীকার করলেন এমবাপ্পে

9

যিনি ফিলিস্তিনিদের কষ্ট অনুভব করেন না, তিনি মানুষ নন: মিসরের

10

প্রথম ম্যাচে স্পেনের প্রতিপক্ষ কেপ ভের্দে

11

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত

12

খালি ভারত ভারত না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্র

13

ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, প্রাণ গেল ২৩ বছরের যুবকের

14

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২

15

ছেলে থিয়াগো মেসির বার্সা যুব একাডেমিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যা ব

16

এক যুগ পর মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড, কী হয়েছিল শেষ

17

ফুটবলে যদি শিল্পের তুলনা করা হয়,তাহলে মেসিই পিকাসো

18

ইসরায়েলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত

19

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র করা হবে

20