গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনই মারা গেছেন। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ১৬ বছর বয়সী তানিশা। এর আগে তাঁর বাবা লালচান (৬০) ও মা নাছিমা (৫০) মারা যান।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, তানিশার শরীরের ৮৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
নিহত তানিশার দুলাভাই নাঈম মিয়া জানান, গত ২১ অক্টোবর বুধবার সকাল ৬টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকার একটি বাসার নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একই পরিবারের বাবা, মা ও মেয়ে দগ্ধ হন।
পরে তাঁদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে লালচান ও নাছিমার মৃত্যু হয়। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে মারা যায় তাঁদের মেয়ে তানিশা।
নাঈম মিয়া জানান, তাঁর শ্বশুর লালচান ও শাশুড়ি নাছিমা একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তানিশা ছিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায়।
তানিশার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনেরই মৃত্যু হলো। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাঈম মিয়া।
মন্তব্য করুন